প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রথমে আমরা জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছি। এখন জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণে, তাদের থামিয়েছি। এখন আমরা দুর্নীতি নিয়ে কাজ করছি। দুর্নীতির বিরুদ্ধে যখন হাত দিয়েছি, তখন আমি ছাড়বো না। আপন-পর জানি না। যেখানে হোক, যেই হোক। আমি তাকে ধরবো। তিনি বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স যখন বলেছি, তখন এটা করেই ছাড়বো। তিনি আরও বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর হয়েছি বলেই, দুর্নীতিবাজ ধরা পড়ছে। অনিয়ম-জঞ্জালগুলো পরিষ্কার করছি আমরা। এজন্য আমার ইমেজ নষ্ট হলে হোক, আমি তাদের ধরবোই। এই কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকবে, এখানে কোনো দ্বিধা নেই। গতকাল রোববার বিকেলে চীন সফর নিয়ে গণভবনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। কোটা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, যারা আন্দোলন করছে, তারা আইন মানে না। সংবিধান চেনে না। সরকার কিভাবে চলে, তা নিয়ে তাদের কোনো ধারণা নেই। পড়ালেখা করে জিপিএ পায়, কিন্তু এসব নিয়ে কোনো ধারণা রাখে না তারা। আদালত তো রায় দিয়েছে, এখানে নির্বাহী বিভাগের কিছু করার নেই। এটি আন্দোলনকারীদের বুঝতে হবে। কোটা আন্দোলন এরপরেও চালিয়ে গেলে তারা চালাবে। ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি করলে আইন তার নিজগতিতে বিষয়টিকে দেখবে।
দুই বিলিয়ন ডলার দেবে চীন: বাংলাদেশকে চীন দুই বিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ অনুদান-ঋণ দেবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অনুদান, সুদমুক্ত ঋণ, রেয়াতি ঋণ ও বাণিজ্যিক ঋণ চারটি ক্ষেত্রে সহায়তায় রাজি হয়েছে। এই চারটি প্যাকেজের আওতায় চীন বাংলাদেশকে দুই বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ প্রদানে সম্মত হয়েছে। চীন সফর নিয়ে সমালোচনার জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, চীনের সঙ্গে ২১ টি সমঝোতা হয়েছে। আরও ৭টি বিষয় এর বাহিরেও আছে। আমি জানি না যারা একথাগুলো বলে বেড়াচ্ছেন তারা কি জেনে বলছেন, নাকি শুধু আমাকে হেয় করতে বলছেন, সেটা একটি প্রশ্ন। আমি এগুলোকে খুব গুরুত্ব দেই না। ১৯৮১ সালে দেশে ফেরার পর থেকে এ ধরনের নেগেটিভ কথা শুনে অভ্যস্ত। এতে আমার কিছু যায় আসে না। যখন ভারতে গেলাম তখন তারা বলে যে দেশ বেঁচে দিয়েছি। এগুলো বলেই যাচ্ছে। এটা এক ধরনের মানসিক অসুস্থতা। তাদের প্রতি করুণাই হয় আমার।
পানি সমস্যা ভারতের সঙ্গে, তারাই তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন করুক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, চীন তিস্তায় বিনিয়োগ করতে প্রস্তুত। কিন্তু পানি সমস্যা যেহেতু ভারতের সঙ্গে তাই তারাই তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন করুক। সেটাই ভালো হবে সবার জন্য। এখানে কোনো রাখঢাকের বিষয় নেই। সবার সঙ্গেই বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে শত্রুতা নয়। তিনি বলেন, সুদমুক্ত ঋণসহ ৪টি খাতে সহযোগিতা করতে সম্মত হয়েছে চীন। অথচ মানসিকভাবে অসুস্থ একটি গোষ্ঠী চীন-ভারত সফর নিয়ে গুজব ছড়াচ্ছে। তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা প্রদানের জন্য বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়ে চীনের রাষ্ট্রপতি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের অবস্থা এবং তাদের সমস্যার প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে এর সমাধানে আমি চীনের সহযোগিতা কামনা করি। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশ ও চীনের পারস্পরিক সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলে উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করি।
মানসিকভাবে অসুস্থরা গুজব ছড়াচ্ছে : শেখ হাসিনা বলেছেন, সুদমুক্ত ঋণসহ ৪টি খাতে সহযোগিতা করতে সম্মত হয়েছে চীন। অথচ মানসিকভাবে অসুস্থ একটি গোষ্ঠী চীন-ভারত সফর নিয়ে গুজব ছড়াচ্ছে। তিনি বলেন, দেশে এত কাজ করার পরেও কেউ অন্ধ-বধির হলে কিছু বলার নেই। কোটা প্রশ্নে আদালতের রায় না আসা পর্যন্ত সরকারের কিছু করার নেই বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে বাধা নয়, সহিংসতা করলে ছাড় নয়। শেখ হাসিনা বলেন, রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা প্রদানের জন্য বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়ে চীনের রাষ্ট্রপতি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের অবস্থা এবং তাদের সমস্যার প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে এর সমাধানে আমি চীনের সহযোগিতা কামনা করি। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশ ও চীনের পারস্পরিক সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলে উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করি।
আদালতে সমাধান না হওয়া পর্যন্ত সরকারের কিছুই করার নেই: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কোটা ইস্যু নিয়ে আদালতের রায়ের পর সরকারের কিছু করার নেই। তিনি বলেন, ২০১৮ সালে আন্দোলন ও সহিংসতার ঘটনায় বিরক্ত হয়ে কোটা বাতিল করেছিলাম। একবার তারা এ ধরনের আন্দোলন করছিল। আন্দোলন তো না সহিংসতা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছিল। তখন আমি বিরক্ত হয়ে বলেছিলাম, সব কোটা বাদ দিয়ে দিলাম। তখনই বলেছিলাম যে, কোটা বাদ দিলে দেখেন কী অবস্থা হয়। এখন দেখেন কী অবস্থা তৈরি হয়েছে? কোটা বাদ দেয়ার ফলে, ফরেন ক্যাডারে নারী মাত্র দুই জন, আর পুলিশে নারী গেছে মাত্র ৪ জন। দেশের নারীরা কোনোদিন ডিসি-এসপি হবে- এটা তো তারা ভাবতেই পারতো না। প্রশাসনেও প্রথম সচিব বানিয়েছি আমি। যিনি বলেছিলেন, নারী কোটা চাই না। তারা কী চাকরি পেয়েছেন- এমন প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, সব এলাকা বা জেলা তো একই রকম হয় না। ২৩ জেলায় পুলিশে কেউ জয়েন করেনি। মেডিকেল সেক্টরেও, মুক্তিযোদ্ধারা খুঁত ধরে তখন আদালতে মামলা করলেন। প্রধানমন্ত্রী বললেন, মেধা কার কত সেটা পরীক্ষায় দেখা যায়। সবসময় সব কোটা পূরণও হয় না। মেধা থেকেও নিয়োগ দেয়া হয়।
রাজাকারের নাতিপুতি চাকরি পাবে, প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকারি চাকরিতে বীর মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনিরা কোটা সুবিধা পাবে না, তাহলে কি রাজাকারের নাতি-নাতনিরা কোটা সুবিধা পাবে? তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ কেন? মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনিরা কোটা পাবে না, তাহলে কি রাজাকারের নাতিরা কোটা পাবে? তা তো আমরা দিতে পারি না। তিনি বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে কথা বলার অধিকার তাদের কে দিয়েছে? তারা দেশ স্বাধীন করার জন্য জীবনপণ লড়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পায় কীভাবে? মুক্তিযুদ্ধ তাদের এখন ভালো লাগে না। শেখ হাসিনা বলেন, আমার প্রশ্ন দেশবাসীর কাছে। তাহলে কি রাজাকারের নাতি-পুতিরা চাকরি পাবে, মুক্তিযোদ্ধারা পাবে না। অপরাধটা কী? নিজের জীবনবাজি রেখে, সংসার সব ফেলে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছে। দিনরাত খেয়ে না খেয়ে, কাদামাটি ভেঙে, রোদ-বৃষ্টি-ঝড় মোকাবিলা করে যুদ্ধ করে এ দেশের বিজয় এনেছে। বিজয় এনে দিয়েছিল বলে সবাই উচ্চপদে আসীন। তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা না থাকলে পাকিস্তানিদের বুটের লাথি খেতে হতো। এখন যারা লাফাচ্ছে তারা ১৫-২০ বছর আগের বাংলাদেশ সম্পর্কেও জানে না। ঢাকা বিশ্বদ্যিালয় কি ছিলো? ৫-৭ বছর সেশন জট। অস্ত্রের ঝনঝনানি। তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে, মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে কথা বলার অধিকার কে দিয়েছে? মুক্তিযুদ্ধের কথা শুনলে গায়ে জ্বর আসে! মুক্তিযোদ্ধার নাতি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে কোটায়। সে এখন বলে, কোটা লাগবে না। তোকেতো ভার্সিটি থেকে বের করে দেয়া উচিত। লজ্জা থাকলে বের হয়ে তারপর বল কোটা লাগবে না। বিচিত্র এ দেশ! বিচিত্র মানসিকতা। ছয় ঋতুর দেশতো! আরেক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, মেধা কার কত সেটা পরীক্ষা হলে বোঝা যায়। সব কোটা যে পূরণ হয় এমন নয়। অবশ্যই মুক্তিযোদ্ধা অগ্রাধিকার পাবে। কোটা আর মেধাতো এক জনিসি নয়। মুক্তিযুদ্ধের সন্তান-নাতিপুতি মেধাবী না আর রাজাকারের সন্তান মেধাবী? তিনি বলেন, রাজাকাররা পরাজিত হয়েছিলো। তাদের মেধাটা কোথায়?
আন্দোলনকারীরা আইন মানে না, সংবিধান চেনে না: শেখ হাসিনা বলেছেন, যারা আন্দোলন করছে, তারা আইন মানে না। সংবিধান চেনে না। সরকার কীভাবে চলে, তা নিয়ে তাদের কোনো ধারণা নেই। পড়ালেখা করে জিপিএ পায়, কিন্তু এসব নিয়ে কোনো ধারণা রাখে না তারা। আদালত তো রায় দিয়েছেন, এখানে নির্বাহী বিভাগের কিছু করার নেই। এটি আন্দোলনকারীদের বুঝতে হবে। কোটা আন্দোলন এরপরেও চালিয়ে গেলে তারা চালাবে। ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি করলে আইন তার নিজগতিতে বিষয়টিকে দেখবে। এ সময় তিনি বলেন, কোটায় ভর্তি হয়ে বিরোধিতাকারী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেরিয়ে যাক। মুক্তিযোদ্ধাদের জন্যই আজ গলাবাজি করা যাচ্ছে। নয়তো পাকিস্তানিদের বুটের মার খেতে হতো বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় যোগাযোগ করে এখন আন্দোলনে নামেন। এসব দিল কোন সরকার? আন্দোলনকারীরা কী কখনো সংবিধান পড়ে দেখেছে? মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস তারা পেল কোথায়? বিচিত্র এই দেশ, বিচিত্র মানুষের মানসিকতা। মুক্তিযোদ্ধার নাতনি কোটায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে, এখন সে বলে কোটা চাই না। ওই মেয়েকে বলবো- বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেরিয়ে বাড়ি গিয়ে বসে থাকুক। কোনো দরকার নাই তার পড়াশোনার। মেধা কার কত সেটা পরীক্ষায় দেখা যায়। সবসময় সব কোটা পূরণও হয় না। মেধাতালিকা থেকেও নিয়োগ দেয়া হয়। কোটা আর মেধা তো এক জিনিস না। এটা একটা ট্যাকটিস বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
আমার পিয়নও ৪০০ কোটি টাকার মালিক, হেলিকপ্টারে চলে: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, একসময় আমার বাসার পিয়ন ছিল। সেও নাকি ৪০০ কোটি টাকার মালিক। হেলিকপ্টার ছাড়া চলে না। পরে তাকে ধরা হয়েছে। খোঁজ-খবর নেয়া হয়েছে। পিএসসির গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলীর অঢেল সম্পদ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একজন ড্রাইভার কীভাবে এত কোটি কোটি টাকার মালিক হলো, সেটা কীভাবে বলবো? তাদের অপকর্ম আমরা ধরছি বলেই তো এখন জানতে পারছেন। এতদিন তো আপনারা জানতে পারেননি। প্রথমে আমরা জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছি। এখন জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণে, তাদের থামিয়েছি। এখন আমরা দুর্নীতি নিয়ে কাজ করছি, দুর্নীতবাজদের ধরছি। এটা চলতে থাকবে। শেখ হাসিনা বলেন, অনেকে আমাকে বলেন এটা করলে সরকারের ইমেজ নষ্ট হবে। আমি সেটা মনে করি না। যারা অপরাধ করছে, দুর্নীতিতে জড়াচ্ছে; তাদেরকে ধরতে হবে। এক্ষেত্রে ছাড় দেয়া হবে না। সরকারি চাকরিতে বীর মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনিরা কোটা সুবিধা পাবে না, তাহলে কী রাজাকারের নাতি-নাতনিরা কোটা সুবিধা পাবে; এমন প্রশ্ন রেখে শেখ হাসিনা বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ কেন? মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনিরা কোটা পাবে না, তাহলে কি রাজাকারের নাতিরা কোটা পাবে? তা তো আমরা দিতে পারি না।
যারা বানোয়াট কথা বলে, দেশবাসী যেন তাদের চিনে রাখে: চীনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সফর প্রসঙ্গে ভারতীয় পত্রিকা ইকোনমিক টাইমসের ‘আপসেট শেখ হাসিনা, রিটার্ন ফ্রম চায়না’ শীর্ষক প্রতিবেদন এবং দেশে এ নিয়ে সমালোচনা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, পৃথিবীর বহু দেশে যখন আমি যাই, আমি যত তাড়াতাড়ি পারি দেশে চলে আসি। কাজ শেষ হয়ে গেলে আমার তো শপিংয়েও যাওয়ার প্রয়োজন নাই, দেখারও জায়গা নাই, বেড়ানোরও কিছু নাই। বহুবার আমি এভাবে এসেছি। এগুলোকে এত রং-চং মাখিয়ে এতকিছু বলার তো কিছু নাই। আমি শুধু বলবো যারা এসব বানোয়াট কথা বলে, তাদের যেন দেশবাসী চিনে রাখে। ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদন ও সমালোচনা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারতের গণমাধ্যমের কথা শুনে আমাদের এখানে যারা কথা বলেন, তারাই তো দু’দিন আগে বলেছে ভারতের কাছে আমরা সব বিক্রি করে দিয়ে এসেছি। অসম চুক্তি করে এসেছি, দেশ বিক্রির চুক্তি করে এসেছি, তাদের কথা আসলে কোনটা ঠিক? শেখ হাসিনা বলেন, সফরে আমার মেয়েকেও তাদের (চীনের) হেলথ মিনিস্ট্রি থেকে দাওয়াত দিয়েছিল। সে অনুযায়ী সে এসেছিল। সেখানে তার সকাল বেলা যাওয়ার কথা, কিন্তু তার প্রচণ্ড জ্বর থাকায় আমার সঙ্গে যেতে পারেনি, এটা বাস্তবতা। আমি একটা মা, ওই অবস্থায় রেখেই আমাকে চলে যেতে হয়। সব কার্যক্রম শেষে আমাদের ১১ তারিখ বিকেলে আসার কথা, সেখানে আমরা সকালে চলে এসেছি। মাত্র ছয় ঘণ্টার পার্থক্য। এই ছয় ঘণ্টার মধ্যেই এত বড় তোলপাড় হয়ে যাবে, এটা তো বুঝতে পারিনি।
নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা * পানি সমস্যা ভারতের সঙ্গে, তারাই তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন করুক * রাজাকারের নাতিপুতি চাকরি পাবে, প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর * আমার পিয়নও ৪০০ কোটি টাকার মালিক, হেলিকপ্টারে চলে
জঙ্গিবাদ থামিয়েছি দুর্নীতিবাজদের ধরছি
- আপলোড সময় : ১৫-০৭-২০২৪ ১২:৫৯:২৭ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৫-০৭-২০২৪ ১২:৫৯:২৭ পূর্বাহ্ন


কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ